১৯ মার্চ ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০২:৫২:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মামদানি ও তাঁর স্ত্রীকে ঘিরে বিতর্ক যে কারণে ট্রাম্প প্রশাসনের সীমান্ত টহল প্রধান গ্রেগ অবসরে যাচ্ছেন অগ্রাধিকার পাচ্ছে ডিফেন্স ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠা ফিল্মিস্টাইলে ডাকাতির কৌশলে ইমিগ্রেশন সুবিধা : ১১ ভারতীয় গ্রেফতার ঢাকা কলেজের ৮৫ প্রাক্তনদের ইফতার মাহফিল মিলনমেলায় পরিণত মার্কিন প্রতিবেদনে আরএসএস ও র’র ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুপারিশ নিউইয়র্কে ৫০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে কংগ্রেসম্যানের মুসলিমবিরোধী মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনা তারেক রহমানের ম্যাজিক কর্মসূচিতে মুগ্ধ মানুষ বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ


বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৭-০৩-২০২৬
বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ


বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ।

১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্ম নেন তিনি। তার বাবা শেখ লুৎফর রহমান এবং মা সায়েরা খাতুন।

ব্রিটিশ শাসনামলে জন্ম নেওয়া বঙ্গবন্ধু কৈশোর থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে পড়ার সময় ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে তিনি প্রথমবারের মতো কারাবরণ করেন। পরে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি তৎকালীন প্রখ্যাত নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের সান্নিধ্যে আসেন এবং ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

১৯৪০ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগদানের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। ১৯৪৬ সালে তিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা করেন পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ। ’৬৬-র ছয় দফা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া তার ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালির স্বাধীনতার সংগ্রামকে নতুন গতি দেয়। সেই বছরের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তাকে গ্রেফতার করে। দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি লন্ডন ও দিল্লি হয়ে ১০ জানুয়ারি দেশে ফেরেন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। তবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এক মর্মান্তিক ঘটনায় সপরিবারে নিহত হন তিনি।

পাকিস্তানবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু বিভিন্ন সময়ে মোট ৪ হাজার ৬৮২ দিন কারাগারে কাটিয়েছেন। পাকিস্তান আমলের ২৪ বছরের প্রায় ১৩ বছরই তাকে বন্দি থাকতে হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আটটি জন্মদিন তিনি কারাগারেই কাটান।

তিনি নিজে জন্মদিন জাঁকজমকভাবে পালন করতেন না। সাধারণত দিনটি তিনি সাদামাটাভাবে কাটাতেন। পরিবারের সদস্যরা ঘরোয়া পরিবেশে শুভেচ্ছা জানাতেন, আর দলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জন্মবার্ষিকী স্মরণ করতেন। 

শেয়ার করুন