সভাপতি এ কে এম প্রিন্স আলম (বাঁয়ে) ও সাধারণ সম্পাদক জামিল সরোয়ার জনি
নিউইয়র্কে পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত বাংলাদেশিদের সমন্বয়ে গঠিত বাপার (বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন) নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ক্যাপ্টেন এ কেএম প্রিন্স আলম এবং একই প্যানেলের ডিটেকটিভ জামিল সরোয়ার জনি হয়েছেন সাধারণ সম্পাদক।
২০২৬-২৭ সালের কার্যনির্বাহী কমিটির এই নির্বাচন ২৩ জানুয়ারি ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে অংশ নেন ৮০৫ জন সদস্যের মধ্যে ৬১২ জন। উল্লেখ্য, সংগঠনের ১১ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো-যা বাপার গণতান্ত্রিক চর্চায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নির্বাচনে বিজয়ীরা হলেন-সভাপতি পদে ক্যাপ্টেন এ কে এম আলম (৫৩৭ ভোট), প্রথম সহ-সভাপতি এসডিএস এরশাদ সিদ্দিকী (৪৭০ ভোট), দ্বিতীয় সহ-সভাপতি টিএস-১ আলী চৌধুরী (৩৯৪ ভোট), সাধারণ সম্পাদক ডিটেকটিভ জামিল সারওয়ার (৪৫৫ ভোট), কোষাধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট শেখ আহমেদ (৪২৫ ভোট), সহ কোষাধ্যক্ষ সার্জেন্ট সোনিয়া বড়ুয়া (৩৮২ ভোট), সার্জেন্ট-অ্যাট-আর্মস সার্জেন্ট শিব্বির আহমেদ (৩৮৮ ভোট), মিডিয়া লিয়াজোঁ সার্জেন্ট জসিম মিয়া (৪২৭ ভোট), ইভেন্ট কো-অর্ডিনেটর পিও মোহাম্মদ ইসলাম রিপন (৩৮৪ ভোট), কমিউনিটি আউটরিচ কো-অর্ডিনেটর সার্জেন্ট মো. লতিফ (৪০৯ ভোট), করেসপন্ডিং সেক্রেটারি টিএস-১ মহিউদ্দিন আহমেদ (৩৭২ ভোট)।
সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করা নির্বাচন কমিশনের সদস্য ছিলেন লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ এফ খান, ক্যাপ্টেন হোসেন ইসলাম ও সার্জেন্ট কে এম হাসনাত। ফলাফল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন নবনির্বাচিতদের অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল প্রার্থী, ভোটার ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। শিগগিরই নবনির্বাচিত কমিটির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে বাপার পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয়েছে। নিউইয়র্ক সিটির বহুজাতিক সমাজে নিরাপত্তা সুরক্ষায় কর্মরত ৪০ হাজারের অধিক পুলিশ অফিসারের মধ্যে বাংলাদেশি অফিসারদের কর্তব্য ও দায়িত্ব নিষ্ঠার বিশেষ একটি পরিচিতি রয়েছে। এই ডিপার্টমেন্টে নবীন এবং সংখ্যাগতভাবে অনেক কম হলেও বাংলাদেশি আমেরিকান অফিসারদের অনেকেই ইতোমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। সেই ধারা অব্যাহত রেখে বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিতরা ভবিষ্যতেও স্বচ্ছতা, পেশাদারত্ব ও সেবার মানোন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবেন, এমনটাই প্রত্যাশা সুধীজনের।