১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৫:১২:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইমাম নিহতের ঘটনায় টার্নারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন ম্যানহাটনে মুসলিম মহিলাকে ছুরিকাঘাত, আলবার্টকে ১১ বছরের কারাদণ্ড যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে নারী নিহত, প্রতিবাদে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ ট্রাম্পের কড়াকড়িতে অভিবাসী শ্রমিক কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শ্রমিকদের বেকারত্ব বেড়েছে ওয়াশিংটনের ন‍্যাশনাল প্রেসক্লাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে সভা মধ্যবর্তী নির্বাচন পরিচালনার নিয়ম বদলাতে মরিয়া ট্রাম্প জামায়াতের সাথে মার্কিন প্রতিনিধিদের বৈঠক নিয়ে নানা গুঞ্জন এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি বাংলাদেশ গাজার জন্য ট্রাম্প প্রস্তাবিত বাহিনীতে থাকতে চায় বাংলাদেশের সঙ্গেও ক্রিকেটে ভারতীদের ভূ-রাজনীতি


হামাসকে সমর্থনকারী বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিল
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১২-০৩-২০২৫
হামাসকে সমর্থনকারী বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিল মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও


মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সমর্থক হিসেবে বিবেচিত বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা করছে। গত ৬ মার্চ পররাষ্ট্র দফতরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে অ্যাক্সিওস। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআই-চালিত ‘ক্যাচ অ্যান্ড রিভোক’ প্রচেষ্টায় হাজার হাজার স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এই এআই-সহায়তা পর্যালোচনা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এ পদক্ষেপ নিয়েছেন। 

রুবিও পরে এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠনগুলোর সমর্থনকারীদের নিন্দা জানানো হয়েছে। রুবিও লিখেছেন, ‘যারা হামাসসহ অন্যান্য সংগঠনগুলোকে সমর্থন করে তারা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। সন্ত্রাসীদের সমর্থনকারী বিদেশি দর্শনার্থীদের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শূন্য সহনশীলতা পোষণ করে। আন্তর্জাতিক ছাত্রসহ মার্কিন আইন লঙ্ঘনকারীদের ভিসা প্রত্যাখ্যান বা প্রত্যাহার এবং নির্বাসনের মুখোমুখি হতে হবে। ’

তদন্তাধীন অ্যাকাউন্ট

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ‘বিশেষ করে সন্ত্রাসীদের প্রতি সহানুভূতির প্রমাণ অনুসন্ধান’ করার জন্য করার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টগুলো পর্যালোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। এ ছাড়া কর্মকর্তারা ‘অভ্যন্তরীণ ডাটাবেস’ পরীক্ষা করে দেখবেন যে ‘বাইডেন প্রশাসনের সময় কোনও ভিসাধারীকে গ্রেফতার করার পরেও দেশে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল কি না।

শেয়ার করুন