০২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৮:৩১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আজ ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী অ্যাডভান্সড প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসার চিকিৎসায় যুগান্তকারী অগ্রগতি ইসলামবিদ্বেষী গ্রাফিতি ঘিরে মুসলিম কম্যুনিটিতে আতঙ্ক যুক্তরাষ্ট্রে মর্টগেজ সুদের হার ৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ইসরায়েল ডে প্যারেড বর্জনের ঘোষণা জোহরান মামদানির ওজনপার্ক মসজিদ আল-আমানের নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিতেই চলবে ভিসা ও অভিবাসন ব্যবস্থা, বললেন রুবিও নিউইয়র্কে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য এক্সেলসিয়র স্কলারশিপ আবেদন শুরু ৪ লাখ সাশ্রয়ী আবাসনের পরিকল্পনা ঘোষণা মেয়রের উপকূলের ১৯ জেলার প্রাণ-প্রকৃতি ঝুঁকিতে


আলোচিত তিন্নি হত্যা মামলায় অভি খালাস
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৫-০১-২০২৫
আলোচিত তিন্নি হত্যা মামলায় অভি খালাস সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি ও গোলাম ফারুক অভি


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তুখোর ছাত্রনেতা ও সাবেক জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক অভিকে খালাস দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ঢাকার বিনোদন জগতের এক সময়ের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি হত্যার। 

গত ১৪ জানুয়ারি মঙ্গলবার ঢাকার ২য় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোছা. শাহীনুর আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত তাকে খালাস প্রদান করেন। রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ মো. আবু জাফর রিজভী। পূর্ণাঙ্গ রায় দেখে আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন বলে জানান তিনি। মামলায় অভি পলাতক রয়েছেন। তার পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী শাহ্ ইলিয়াস রতন সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তখনকার জনপ্রিয় মডেল অভিনেত্রী তিন্নি হত্যার প্রায় দুইযুগ পর এই রায় হলো। তিন্নির মৃত্যুর ঘটনা রহস্যজনক এবং তা বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে ওই সময়। তিনির জন্ম ঢাকার ওয়ারীতে ১৯৭৭ সনে। সেখানেই বেড়ে ওঠা তার। 

মডেল তিন্নি হত্যাকাণ্ড 

২০০২ সালের ১০ নভেম্বর রাতে কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর ১ নম্বর চীন মৈত্রী সেতুর ১১ নম্বর পিলারের পাশে মডেল তিন্নির লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় পরদিন অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন কেরানীগঞ্জ থানার তৎকালীন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. সফি উদ্দিন। এ মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কাইয়ুম আলী সরদার। এর পর তিন্নির লাশের ছবি পত্রিকায় ছাপা হলে সুজন নামে নিহতের এক আত্মীয় লাশটি শনাক্ত করেন। 

২০০৮ সালের ৮ নভেম্বর সাবেক ছাত্রনেতা ও সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক অভিকে একমাত্র আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন পুলিশ।

উল্লেখ্য, গোলাম ফারুখ অভি প্রথমত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তিতে তিনি জাতীয় পার্টিতে যোগদান করে সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হন (১৯৯৬) তৎকালীন বরিশাল-২ (উজিরপুর বাবুগঞ্জ) আসন থেকে। 

উজিরপুরের সন্তান অভি ওই ঘটনার পর থেকেই পালাতক। এলাকায় প্রকাশ, তিনি বর্তমানে কানাডায় প্রবাসী। তবে অভি’র সঙ্গে উজিরপুর তার এলাকার লোকজনের সঙ্গে যোগসাজোগ রয়েছে। বিগত সময়ে তার বক্তব্য মাইকে প্রচার করারও ঘটনা ঘটেছে তার এলাকা উজিরপুর, ধামুড়া অঞ্চলে। এলাকার সন্তান হিসেবে উজিরপুরে অভির ব্যাপক জনপ্রিয়তা। জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য হয়ে এলাকার উন্নয়নেও অনেক ভূমিকা রাখেন। এ জন্যই তার প্রতি এলাকার মানুষের অন্যরকম একটা ভালবাসা আজো বিদ্যমান।

শেয়ার করুন