০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৫:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাসসের নবনিযুক্ত এমডি ও প্রধান সম্পাদককে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবর্ধনা বাসস'র এমডি ও প্রধান সম্পাদক পদে নিয়োগ পেলেন কাদের গনি চৌধুরী কপ সম্মেলনে যোগ দিতে নভেম্বরে তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নেপাল-তিব্বতে বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৩৯২, নিখোঁজ প্রায় ১,৪০০ আফগান-আমেরিকান হিসেবে প্রথমবার মার্কিন কংগ্রেসে আইশা ওয়াহাব আমেরিকানদের গৃহস্থালি ঋণ ১৮.৮ ট্রিলিয়ন, ক্রেডিট কার্ড ১.২৬ ট্রিলিয়ন ওহাইওতে মসজিদে সাত বছরে তৃতীয় হামলা জনপ্রিয় হচ্ছে তিন বছরের কলেজ ডিগ্রি, তবে আছে বিতর্ক মুসলিম নারীকর্মীর বৈষম্যের অভিযোগে ওক পার্ক সিটির বিরুদ্ধে মামলা সশস্ত্র ডাকাতের গুলিতে বাংলাদেশি মহসিন রানা নিহত


পদ্মা সেতু নিয়ে ফরমায়েশি নির্দেশনা মুক্তগণমাধ্যমের জন্য হুমকি
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৫-০৬-২০২২
পদ্মা সেতু নিয়ে ফরমায়েশি নির্দেশনা  মুক্তগণমাধ্যমের জন্য হুমকি


গত ৯ জুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে দেখা গেছে, পদ্মা সেতু নিয়ে ধারাবাহিকভাবে সিরিজ আকারে সংবাদ প্রকাশের জন্য সকল গণমাধ্যমকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় কর্তৃক এ ধরনের নির্দেশনা গণমাধ্যমের উপর অযাচিত হস্তক্ষেপ ও স্বাধীন এবং মুক্ত গণমাধ্যমের জন্য হুমকি।

গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া ও সদস্য সচিব নুরুলহক নুর এক যৌথ বিবৃতিতে এসব কথা  বলেন। বিবৃতিতে তারা গণমাধ্যমের উপর অযাচিত হস্তক্ষেপ ও সরবরাহকৃত সংবাদ পরিবেশনে চাপ প্রয়োগের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা বলেন,‘গণমাধ্যম কি ধরনের সংবাদ প্রকাশ করবে সেটা তাদের নিজস্ব নীতিমালার বিষয় উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বলেন,তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনা স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে সংবাদ প্রকাশে প্রতিবদ্ধকতা সৃষ্টি করবে। ফরমায়েশি সংবাদ পরিবেশনে বর্তমান সরকার কিভাবে গণমাধ্যমের উপর চাপ প্রয়োগ করে মুক্ত গণমাধ্যমের পথ রুদ্ধ করছে তা এ নির্দেশনায় আরো স্পষ্ট হয়েছে।’

নেতৃদ্বয় অবিলম্ব এ নির্দেশনা প্রত্যাহারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনভাবে কাজ করার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করারও আহ্বান।নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ‘ইতোমধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তার আইনের মতো গণবিরোধী কালো আইনের মাধ্যমে গণমাধ্যম ও সংবাদকর্মীদের কণ্ঠ রোধ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। সরকারি দল ও তাদের নেতা-কর্মীদের সমালোচনা করলেই সংবাদকর্মীদের জেলখানায় যাওয়া থেকে নানা হয়রানি হতে হয়।

এমনকি আরও কঠোরভাবে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার এখন সবার আপত্তি স্বত্ত্বেও আরেকটি বিতর্কিত গণমাধ্যম আইন করতে যাচ্ছে, যার মাধ্যমে গণমাধ্যমের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তাই নেতৃদ্বয় প্রস্তাবিত গণমাধ্যম আইন প্রণয়নেরও বিরোধিতা করেন।’


শেয়ার করুন