১৬ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ০১:৩৮:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইমাম নিহতের ঘটনায় টার্নারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন ম্যানহাটনে মুসলিম মহিলাকে ছুরিকাঘাত, আলবার্টকে ১১ বছরের কারাদণ্ড যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে নারী নিহত, প্রতিবাদে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ ট্রাম্পের কড়াকড়িতে অভিবাসী শ্রমিক কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শ্রমিকদের বেকারত্ব বেড়েছে ওয়াশিংটনের ন‍্যাশনাল প্রেসক্লাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে সভা মধ্যবর্তী নির্বাচন পরিচালনার নিয়ম বদলাতে মরিয়া ট্রাম্প জামায়াতের সাথে মার্কিন প্রতিনিধিদের বৈঠক নিয়ে নানা গুঞ্জন এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি বাংলাদেশ গাজার জন্য ট্রাম্প প্রস্তাবিত বাহিনীতে থাকতে চায় বাংলাদেশের সঙ্গেও ক্রিকেটে ভারতীদের ভূ-রাজনীতি


পদ্মা সেতু “বীর মুক্তিযোদ্ধা সেতু” নামকরনের দাবী
সালেক সুফী
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৮-০৪-২০২২
পদ্মা সেতু “বীর মুক্তিযোদ্ধা সেতু” নামকরনের দাবী পদ্মা বহুমুখী সেতু


আমি বাংলাদেশী জাতির গৌরবের প্রতীক পদ্মা বহুমুখী সেতুর নাম মুক্তিযোদ্ধাদের নামে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা সেতু’নামকরণ করার দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে রেল সংযোগের অবশিষ্ট কাজ  সম্পন্ন না করে তড়িঘড়ি করে উদ্বোধোন না করার জন্য সুপারিশ করছি। 

বহুমুখী সেতুর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ রেলওয়ে লাইন নির্মাণ কাজ শেষ না করে জুন মাসে সেতু যান চলাচলের জন্যে খুলে দেয়ার ঝুঁকি নিতে হবে? আমাদের শ্রদ্ধেয় বুয়েট গর্ব ডক্টর জামিলুর রেজা চোধুরী স্যার প্রয়াত। তাই অন্য কারো সঙ্গে আলাপ করে নিশ্চিত হতে পারছি না, সেতু চালু হলে রেল লিনের নির্মাণ কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হবে কিনা? সেতুটি ৫-১০ বছরের জন্য নির্মিত হচ্ছে না। অন্তত শতবর্ষ সেতুটি জাতির উন্নয়নের স্বর্ণ দুয়ার হিসাবে কাজ করবে।  আমি মনে করি না কোনো রাজনৌতিক সুবিধা অর্জনের মানসে সেতুটি নিয়ে কোনো ঝুঁকি নেয়া সুবিবেচনা প্রসূত হবে। সেতুটির সব কাজ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে চালু হতে পারে। যদিও প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে সংসদে এ ধারনাই দিয়েছেন। রেল, সড়ক যোগাযোগ, গ্যাস, বিদ্যুৎ, ফাইবার অপটিক্স, এবং আনুষঙ্গিক বাবস্থাদি সহ স্বপ্নের সেতু চালু হলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বর্ণ দুয়ার খুলে যাবে। দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার ভাঙা উপজেলার অধিবাসী হিসাবে পুলকিত মনে হচ্ছে। তবে আবারও বলছি সীমিত রাজনৌতিক স্বার্থে যেন রেল যোগাযোগ কাজের কিছু অংশ চালু থাকার পাশাপাশি সেতু সড়ক যোগাযোগের জন্য খুলে দেয়ার যেন অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেয়া না হয়। 

মনে আছে, বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতু উদ্বোধনের আগে- পানি দিয়ে চাপ পরীক্ষার সময় আনারীর মতো নির্মিত গ্যাস সঞ্চালন ভেঙে নদীতে পরে যায়। তখন অতি উৎসাহী গোষ্ঠী ইস্টার্ন টিউবস থেকে দুই ইঞ্চি বাসের পাইপ সেতুর গার্ডার দিয়ে নির্মাণ করে সেতু উদ্বোধনের কার্যক্রম শুরু করেছিল। ঝুঁকির কথা চিন্তা করে সেসময় আমরা কয়েকজন, কোনো ভাবে প্রধানমন্ত্রীর কানে ঝুঁকির বিষয়টি জানিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী বুঝতে পেরে সেতু উদ্ভোধনের সময় গ্যাস পাইপলাইন চালু করার শিশুসুলভ কার্যক্রম বাতিল করে দিয়েছিলেন।

একই ভাবে আমি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো, বহুমুখী সেতুর কাজ সর্বাঙ্গীনভাবে সমাপ্তির পর সম্ভব হলে ১৬ ডিসেম্বর ২০২২ সকল ধরণের সড়ক এবং রেল চলাচলের জন্য খুলে দিতে। সেই সঙ্গে সুপারিশ করবো সেতুটির নামকরন যেন " বীর মুক্তিযোদ্ধা সেতু " নামকরণ করতে।

শেয়ার করুন