০২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৩:৪১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আজ ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী অ্যাডভান্সড প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসার চিকিৎসায় যুগান্তকারী অগ্রগতি ইসলামবিদ্বেষী গ্রাফিতি ঘিরে মুসলিম কম্যুনিটিতে আতঙ্ক যুক্তরাষ্ট্রে মর্টগেজ সুদের হার ৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ইসরায়েল ডে প্যারেড বর্জনের ঘোষণা জোহরান মামদানির ওজনপার্ক মসজিদ আল-আমানের নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিতেই চলবে ভিসা ও অভিবাসন ব্যবস্থা, বললেন রুবিও নিউইয়র্কে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য এক্সেলসিয়র স্কলারশিপ আবেদন শুরু ৪ লাখ সাশ্রয়ী আবাসনের পরিকল্পনা ঘোষণা মেয়রের উপকূলের ১৯ জেলার প্রাণ-প্রকৃতি ঝুঁকিতে


শরণার্থী-আশ্রয়হীনদের জন্য গ্রিনকার্ড প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০২-০৪-২০২৫
শরণার্থী-আশ্রয়হীনদের জন্য গ্রিনকার্ড প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র


যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) জানিয়েছে, তারা কিছু শরণার্থী এবং আশ্রয়প্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য গ্রিনকার্ড আবেদন পর্যালোচনা স্থগিত করেছে। মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস)-এর এই নির্দেশনা অনুমোদিত শরণার্থী এবং অভিবাসন আদালতে সুরক্ষার জন্য আবেদন করে আশ্রয়প্রাপ্তদের ওপর প্রভাব ফেলবে।

ডিএইচএস জানিয়েছে, ‘অতিরিক্ত স্ক্রিনিং’-এর জন্য যারা বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা হতে চান, তাদের আবেদনের প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত করা হবে।

ডিএইচএস এক বিবৃতিতে বলেছে, প্রতারণা, জননিরাপত্তা বা জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত উদ্বেগ চিহ্নিত করতে ইউএসসিআইএস নির্দিষ্ট কিছু অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস (স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পরিবর্তন) আবেদন চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত স্ক্রিনিং ও যাচাই সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সাময়িক বিরতি দিচ্ছে, যা ট্রাম্পের দুটি নির্বাহী আদেশের দিকে ইঙ্গিত করে।

এই নির্বাহী আদেশগুলোর মধ্যে একটিতে প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যতদূর সম্ভব যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে ইচ্ছুক, প্রবেশ করতে চাওয়া বা ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত সব বিদেশি নাগরিককে সর্বোচ্চ মাত্রায় যাচাই ও স্ক্রিনিং করতে হবে। বিশেষ করে যেসব অঞ্চল বা দেশ নিরাপত্তা ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে।

এই নির্দেশনার ফলে বিপুলসংখ্যক অভিবাসী প্রভাবিত হতে পারেন, যার মধ্যে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা ব্যক্তি থেকে শুরু করে সীমান্তে আশ্রয়ের আবেদন করা ব্যক্তিরাও অন্তর্ভুক্ত।

শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের অবশ্যই প্রমাণ করতে হয় যে তারা জাতি, ধর্ম, বা রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। শরণার্থীরা কেবল কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পান, যখন তারা এখনো বিদেশে অবস্থান করেন।

শেয়ার করুন