১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ০৫:০০:৫৮ পূর্বাহ্ন


শপথ নিলেন বিএনপির নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৭-০২-২০২৬
শপথ নিলেন বিএনপির নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা


প্রথম দফায় শপথ নিয়েছেন বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। তাদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১১টার পর জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যসহ অন্যান্য দল থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পর্যায়ক্রমে শপথবাক্য পাঠ করানোর কথা রয়েছে।



সাধারণত জাতীয় সংসদের স্পিকার শপথ পড়ানোর দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে সিইসি এই দায়িত্ব পালন করলেন। শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।


অনুষ্ঠানে শুরুতে সংসদ সদস্যদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। ১১টা ৩০ মিনিটে সংসদীয় দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি।


বিএনপি জোটের নতুন সংসদ সদস্যদের মধ্যে সামনের সারিতে ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।


শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন থেকে তেলাওয়াত অনুষ্ঠিত হয়।  শপথ নেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন।


এর আগে সকাল ৯টার পরপরই সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সদস্যরা আসতে শুরু করেন। বাইরে ছিল সাধারণ মানুষের ভিড়, আর সার্বিক নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জিতেছে। এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি আসন পেয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছেন।


বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে বলে জানিয়েছে ইসি।


ইসির তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল ও ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও আদালতের নির্দেশনার কারণে চট্টগ্রামের দুটি আসনের (চট্টগ্রাম ২ ও ৪) ফল ঘোষণা করা হয়নি।

 

শেয়ার করুন