দ্বিতীয় বাড়ির কর নিয়ে মামদানির উদ্যোগে আদালতের বাধা


দেশ রিপোর্ট , আপডেট করা হয়েছে : 30-09-2026

দ্বিতীয় বাড়ির কর নিয়ে মামদানির উদ্যোগে আদালতের বাধা

নিউইয়র্ক সিটি মেয়র জোহরান মামদানির বিলাসবহুল দ্বিতীয় বাড়ির ওপর অতিরিক্ত কর বা ‘পিয়েদ-আ-তের’ সারচার্জ বাস্তবায়নের উদ্যোগে আদালতের বাধা এসেছে। স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের বিচারপতি ওয়েন অজি ২৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রায় দিয়ে শহরকে ইতিমধ্যে পাঠানো করসংক্রান্ত নোটিশ বাতিল করে নতুন করে প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে অনলাইনে প্রকাশ করা সম্পূরক করের তালিকাও সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। ২২ পৃষ্ঠার রায়ে বিচারপতি অজি বলেন, করের আওতায় পড়তে পারেন এমন বাড়ির মালিকদের চিহ্নিত ও নোটিশ দেওয়ার ক্ষেত্রে শহর যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেনি। করদাতাদের নিজেদের বসবাসের প্রমাণ দেওয়ার আগে শহরকে তার হাতে থাকা তথ্য ব্যবহার করে প্রত্যেক সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

তবে আদালতের রায়ে পিয়েদ-আ-তের কর আইন বাতিল করা হয়নি। মূলত কর বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। ফলে শহরকে সম্পত্তির তথ্য নতুন করে যাচাই করে করযোগ্য মালিকদের নোটিশ দিতে হবে। জুলাইয়ে শহর প্রায় ১৭ হাজার বিলাসবহুল সম্পত্তির মালিককে চিঠি পাঠিয়ে জানায়, তাদের সম্পত্তি নতুন সারচার্জের আওতায় পড়তে পারে। শহর ও রাজ্যের হিসাব অনুযায়ী, শেষ পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার সম্পত্তি এই করের আওতায় আসতে পারে।

এই সারচার্জ মূলত নিউইয়র্ক সিটির বাইরে বসবাসকারী মালিকদের উচ্চমূল্যের দ্বিতীয় বাড়িকে লক্ষ্য করে। একক, দুই বা তিন পরিবারের বাড়ির মূল্য ৫০ লাখ ডলারের বেশি হলে এবং সেটি প্রধান বাসস্থান না হলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কর প্রযোজ্য হতে পারে। ১০ লাখ ডলার বা তার বেশি মূল্যের কনডো ও কো-অপও নির্দিষ্ট শর্তে এর আওতায় পড়তে পারে।

মামদানি প্রশাসন আশা করছে, এই কর থেকে বছরে প্রায় ৫০ কোটি ডলার রাজস্ব আসবে। এই অর্থ শহরের সামর্থ্যভিত্তিক বিভিন্ন কর্মসূচি ও জনসেবায় ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী র‌্যান্ডি মাস্ট্রো বলেন, শহরকে বাড়ির মালিকদের নিজেদের নির্দোষ প্রমাণের জন্য চাপ না দিয়ে শুরুতেই সরকারি তথ্য ব্যবহার করে কার ওপর কর প্রযোজ্য তা নির্ধারণ করা উচিত ছিল। অন্যদিকে, শহরের আইন বিভাগের প্রধান স্টিভেন ব্যাংকস আদালতে যুক্তি দেন, মামলাকারীদের প্রকৃত কোনো ক্ষতি হয়নি। কারণ, প্রাথমিক নোটিশ পাওয়ার পর অনেকেই তথ্য জমা দিয়ে জানতে পেরেছেন যে তারা শেষ পর্যন্ত করের আওতায় পড়ছেন না।

আদালতের এই রায়ের ফলে মামদানি প্রশাসনকে এখন নতুন করে সম্পত্তি যাচাই ও নোটিশ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। এতে কর থেকে প্রত্যাশিত রাজস্ব সংগ্রহের সময়সূচিও প্রভাবিত হতে পারে।


প্রকাশক: মঞ্জুর হোসেন

সম্পাদক: মিজানুর রহমান

House : 29, Road : 01 Sector : 02, Block :F Aftabnagar, Dhaka:1212 (Opposite China Building) E-mail : deshusdhaka@gmail.com (Advertising & News For Bangladesh)