নিউইয়র্ক স্টেস বিএনপি আয়োজিত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও তবারক বিতরণ করা হয়। গত ১৫ আগস্ট সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসে এ অনুষ্ঠানের আয়োজক করা হয়।
নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সভাপতি মাওলানা অলিউল্যাহ মোহাম্মদ আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান সাইদের পরিচালায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি গিয়াস আহমেদ।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন, নিয়াজ আহমেদ জুয়েল, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক দলের সভাপতি জাহাঙ্গীর এম আলম, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তাফ আহমেদ, প্রচার সম্পাদক আবুল কালাম, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, বদরুল হক আজাদ, দেওয়ান কাউছার, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম, মোহাম্মদ এম আনোয়ার, আশরাফ হোসেন, আব্দুল কাইয়ুম, আনিছুল রহমান, মাহবুবুল রহমান মুকুল, রাহিমুল ইসলাম প্রিন্স, আলমগির হোসেন, আল মামুন সবুজ, জাহিদ হাসান সুমন, মোহাম্মদ বসির, মোহাম্মদ সাদ্দাম, মোহাম্মদ আনোয়ার, রেজবুল কবীর, মোহাম্মদ শাহীন, মুক্তাদির চৌধুরী, মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, মোহাম্মদ টিপু, জসীম উদ্দীন, মনিরুল ইসলাম, মোহাম্মদ হোসেন, জাকারিয়া হায়দার, কাজী আসাদুল্লাহ, মোহাম্মদ মুস্তফা, ফারুক আহম্মেদ, ইঞ্জিনিয়ার মাঈনুদ্দীন প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে গিয়াস আহমেদ বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার আপসহীনতার কারণেই আজ বিএনপি ক্ষমতায়। তিনি মৃত্যুকে ভয় পাননি। তাকে জেলে মারার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবুও তিনি অবিচল ছিলেন। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদেশে বসে আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আজ যারা বলছেন, বিএনপি আন্দোলনে ছিল না, তারা মিথ্যাচার করছেন। তারেক রহমানকেই প্রথম এক দফার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এই এক দফা দাবি ছিল ফ্যাসিস্ট সরকারের পদত্যাগ। তিনি আরো বলেন, তারেক রহমান দেশকে পুনর্গঠনে কাজ করছেন। আমাদের ঐক্যবদ্ধ থেকে তাকে সহযোগিতা করতে হবে। সেই সঙ্গে তিনি নিউইয়র্ক এলে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
মাওলানা অলিউল্যাহ আতিকুর রহমান অনুষ্ঠান সফল করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে দোয়া পরিচালনা করেন। অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়া ছাড়াও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।