মির্জা আলী আজম। কম্যুনিটির অত্যন্ত পরিচিত মুখ। দিনের বেলায় তাকে দেখা যেত এস্টোরিয়ায়। আর সন্ধ্যায় তাকে দেখা যেতো জ্যাকসন হাইটসে। অত্যন্ত মিষ্টভাষী মির্জা আলী আজম কম্যুনিটিতে অত্যন্ত সচেতন মানুষ ছিলেন। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেন। রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশনের সাবেক সভাপতি ফখরুল ইসলাম মাসুম জানান, মির্জা আলী আজম গত ৭ আগস্ট নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট আয়োজিত জুলাইয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য তার কর্মস্থল এস্টোরিয়া থেকে বাসে ওঠেন। আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার সময় তিনি বাসের মধ্যেই হার্টঅ্যাটাকে আক্রান্ত হন এবং বাসের মধ্যে পড়ে যান। এ সময় অ্যাম্বুলেন্স কল করা হয় এবং তাকে এস্টোরিয়ার মাউন্টসিনাই হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার পরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন (ইন্না লিল্লাহি... রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে, ১ মেয়ে ও আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন।
ট্রাভেল ব্যবসায়ী মির্জা আলী আজমের জানাজা গত ৮ আগস্ট এস্টোরিয়া ইসলামিক সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় এবং তার লাশ নিউ জার্সির মুসলিম মেমোরিয়াল গোরস্থানে দাফন করা হয়। তার দাফনের ব্যবস্থা করা হয় মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্বে।
উল্লেখ্য, মির্জা আলী আজমের দেশের বাড়ি বাংলাদেশের মাগুরায়। তার মৃত্যুতে পুরো কম্যুনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে।