বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ


বিশেষ প্রতিনিধি , আপডেট করা হয়েছে : 03-06-2026

বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ

দীর্ঘ চার দশকের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারও সগৌরবে উদিত হলো লাল সবুজের বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (২ জুন, ২০২৬) জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের নির্বাচনে সাইপ্রাসের শক্তিশালী প্রার্থীকে পরাজিত করে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশে বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক ফেসবুক পোস্টে তাৎক্ষণিকভাবে খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানান। 

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এই ঐতিহাসিক নির্বাচনে ড. খলিলুর রহমান ৯৯টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের অভিজ্ঞ কূটনীতিক আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস পান ৯১টি ভোট। এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৪০ বছর পর সাধারণ পরিষদের সভাপতির লাল-সবুজ পতাকা খচিত আসনটি পুনরুদ্ধার করল ঢাকা। এর আগে ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের ৪১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও বরেণ্য রাজনীতিবিদ হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী প্রথম ও শেষবারের মতো এই গৌরবময় দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

বৈশ্বিক রাজনীতির নানা সমীকরণ ও উত্থান-পতনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের এই বিজয় কেবল একটি পদ প্রাপ্তি হিসেবে নয়, এটি সমসাময়িক ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশের পরিপক্বতা এবং ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের এক অনবদ্য দলিল। দীর্ঘদিন বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতিতে ভারসম্য বজায় রেখে চলে আসছে। এর মাধ্যমে ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়’ নীতির জয়জয়কার। একটি তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রার্থী সাইপ্রাসের মতো ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ঊট) সদস্য দেশের প্রার্থীকে পরাজিত করা মোটেও সহজ কাজ ছিল না। ৯৯-৯১ ভোটের এই ব্যবধান প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশ তার ঐতিহ্যগত ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি বজায় রাখতে শতভাগ সফল হয়েছে। একদিকে পরাশক্তিগুলোর মধ্যকার স্নায়ুযুদ্ধ, অন্যদিকে আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির টানাপোড়েনের মধ্যেও বাংলাদেশ যেভাবে বিশ্বের বিভিন্ন ব্লকের সমর্থন আদায় করতে পেরেছে, তা আমাদের পররাষ্ট্রনীতির একটি বিরাট পরিপক্বতা নির্দেশ করে।

জাতিসংঘের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সভাপতিত্ব করনের এই জয় পরিষ্কারভাবে ইঙ্গিত দেয় যে, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল বিশ্ব তথা ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর একটি অন্যতম প্রধান কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের চরম ঝুঁকি, কোভিডের পরবর্তী অর্থনৈতিক ধাক্কা এবং সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও বাংলাদেশ যেভাবে নিজের অর্থনীতিকে ধরে রেখেছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছে তা উন্নয়নশীল দেশগুলোর আস্থা অর্জনে সাহায্য করেছে। ড. খলিলুর রহমানের এই বিজয় আসলে সেই সামগ্রিক আস্থারই প্রতিফলন।

পেছনের দিকে তাকালে ১৯৮৬ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রসচিব হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী যখন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন, তখন বাংলাদেশ ছিল একটি সদ্য স্বাধীন এবং অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর রাষ্ট্র। সেই অবস্থা থেকে আজকের ২০২৬ সালের বাংলাদেশের রূপান্তর আকাশ-পাতাল। ৪০ বছর আগের সেই গৌরবগাথাকে ড. খলিলুর রহমান যেভাবে ফিরিয়ে আনলেন, তা বাংলাদেশের কূটনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন যুগের সূচনা করল।

খলিলুর রহমানের জন্য যেসকল চ্যালেঞ্জ 

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি (পিজিএ) হিসেবে ড. খলিলুর রহমান এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন, যখন বিশ্বজুড়ে বহুমুখী সংকট বিদ্যমান। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের চরম উত্তেজনা, যুদ্ধ বিগ্রহ, বৈশ্বিক জলবায়ু বিপর্যয় এবং জাতিসংঘের সংস্কারের মতো অত্যন্ত জটিল ইস্যুগুলো এখন টেবিলজুড়ে।

সভাপতি হিসেবে একজন বাংলাদেশি এখন এই বৈশ্বিক সাধারণ বিতর্ক এবং নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ার মডারেটর বা প্রধান চালক হিসেবে কাজ করবেন। এর ফলে বাংলাদেশ কেবল নিজের এজেন্ডাই নয়, বরং সমগ্র অনুন্নত ও উন্নয়নশীল বিশ্বের অধিকার আদায়ের লড়াইকে জাতিসংঘের মূলমঞ্চে আরও জোরালোভাবে উপস্থাপন করতে পারবে।

কে এই খলিলুর রহমান

বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বিশিষ্ট কূটনীতিক ও প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ড. খলিলুর রহমান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। দীর্ঘ ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি জাতিসংঘের সচিবালয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায় অত্যন্ত উচ্চপর্যায়ের পদে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতিসংঘে তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবন, অভিজ্ঞতা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নীতি-নির্ধারণে তাঁর অবদান নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন নিচে তুলে ধরা হলো:

জাতিসংঘে প্রারম্ভিক কর্মজীবন ও কূটনৈতিক যাত্রা

ড. খলিলুর রহমান ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিসে (বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডার) প্রথম স্থান অধিকার করে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে প্রথম সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়েই জাতিসংঘের বহুপাক্ষিক কূটনীতির সাথে তাঁর গভীর সংযোগ তৈরি হয়। পরবর্তীতে, ১৯৯১ সালে তিনি সরাসরি জাতিসংঘ সচিবালয়ে যোগদান করেন এবং জেনেভায় অবস্থিত জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলনে (UNCTAD) বিশেষ উপদেষ্টা (Special Adviser) হিসেবে নিযুক্ত হন।

স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) উন্নয়নে ঐতিহাসিক ভূমিকা

ড. খলিলুর রহমানের জাতিসংঘ ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে ছিল স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (LDCs) অর্থনৈতিক ও সামাজিক নীতি-নির্ধারণ এবং তাদের অধিকার রক্ষা করা।

নিউইয়র্ক কার্যালয়ের প্রধান: 

২০০০ সালের দিকে তিনি ইউএনসিটিএডি-এর নিউইয়র্ক অফিসের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে তিনি বিশ্ব বাণিজ্য সম্মেলনগুলোতে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জোরালো মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন।

ব্রাসেলস কর্মসূচির খসড়া প্রণয়ন (২০০১): 

২০০১ সালে অনুষ্ঠিত ব্রাসেলস এলডিসি সম্মেলনের ‘প্রোগ্রাম অব অ্যাকশন’ (Programme of Action)-এর মূল খসড়া তৈরিতে তিনি সরাসরি নেতৃত্ব দেন। এই ঐতিহাসিক কর্মসূচির ফলেই স্বল্পোন্নত দেশগুলো উন্নত বিশ্বে কোটা-মুক্ত ও শুল্ক-মুক্ত (Duty-Free and Quota-Free) বাজার সুবিধা লাভ করে, যা বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর রপ্তানি বৃদ্ধিতে বিশাল অবদান রেখেছে।

পলিসি ডেভেলপমেন্ট প্রধান (UN-OHRLLS): 

২০১২ সালে তিনি জাতিসংঘের ‘স্বল্পোন্নত, ভূ-বেষ্টিত এবং ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রসমূহের উচ্চ প্রতিনিধি কার্যালয়ে’ (UN-OHRLLS) পলিসি ডেভেলপমেন্ট, সমন্বয় এবং পর্যবেক্ষণ সেবার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন।

বৈশ্বিক নীতি-নির্ধারণ ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন

অর্থনীতিবিদ হিসেবে ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের বেশ কিছু নীতিনির্ধারণী ও কৌশলগত গ্রুপে শীর্ষ নেতৃত্ব দিয়েছেন। এছাড়াও তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের নির্বাহী দপ্তরে অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং উন্নয়ন বিষয়ক প্রধান হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিনন্দন 

এদিকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

২ জুন মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে অনেক অনেক অভিনন্দন।’

তিনি বলেন, এই অর্জন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অবদান ও বিশ্বাসযোগ্যতার প্রতিফলন। আমরা বিশ্বাস করি, তিনি গর্বের সঙ্গে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং বহুপাক্ষিক ও অভিন্ন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় সংযোগ, সংলাপ ও সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। আমরা তার এই নতুন দায়িত্বে সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিংসঘের সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে জয়লাভ করেন ড. খলিলুর রহমান। নির্বাচনে মোট ১৯০টি দেশ ভোট দিয়েছে। এর মধ্যে ড. খলিলুর রহমান ৯৯ ভোট পেয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস পেয়েছেন ৯১ ভোট।

আগামী ৮ সেপ্টেম্বর এই অধিবেশন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এবং ২২ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক। ওই অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেশের বিজয় তারেক রহমানের কূটনৈতিক সফলতা: হুমায়ুন কবির

 জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের বিজয়কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কূটনৈতিক সফলতা বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। 

মঙ্গলবার রাতে পররাষ্ট্র, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এ উপদেষ্টা জানান, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে ড. খলিলুর রহমানের বিজয় বাংলাদেশের জন্য এক বড় সফলতা। গ্লোবাল স্টেজে বাংলাদেশের নেতৃত্ব, বাংলাদেশের ইনফ্লুয়েন্স (প্রভাব) এবং বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা যে কত বাড়ছে, এটি তারই প্রমাণ। তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে সরকার গঠিত হয়েছে এবং নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে জয়ী হয়েছে, বিশ্ববাসী যে এই সরকারকে গ্রহণ করেছে এবং এর গ্রহণযোগ্যতা দিয়েছে, এটি তারই প্রমাণ। বাংলাদেশ এই জাতিসংঘ অধিবেশনে নেতৃত্ব দিবে।

পলিটিক্স (রাজনীতি), পিসবিল্ডিং (শান্তি বিনির্মাণ), ইকোনমিক প্রোগ্রেস (অর্থনৈতিক অগ্রগতি) এবং ইকুয়ালিটি (সমতা)-এসব নিয়ে কাজ করা হবে। এই যে বিজয় এবং এই যে কন্টেস্ট (প্রতিদ্বন্দ্বিতা), এটাই বুঝায় যে এই সরকারের কাজ করার যোগ্যতাকে বিশ্ব কীভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তার এই নির্বাচিত হওয়ার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে যা অসাধারণ অর্জন, পুরো বাংলাদেশ গর্বিত।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ দূত আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস গত সাড়ে তিন বছর ধরে প্রস্তুতি ও প্রচারে ছিলেন। অন্যদিকে বিএনপি সরকার তিন মাস আগে ক্ষমতায় এসে এই কয়দিনে প্রচারের মধ্য দিয়ে তারা এই সফলতা অর্জন করেছেন। 

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আগামী এক বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হবেন।

৪ মে বৃহস্পতিবার তিনি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় ফিরছেন বলেও জানান হুমায়ুন কবির। অন্যদিকে ড. খলিলুর রহমানও তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান। ধন্যবাদ জানান, জাতিসংঘের মহাসচিব, সাবেক সভাপতি এবং জাতিসংঘের অধীনের সকল দেশের কূটনীতিকদের। তিনি বলেন, আমি নিরপেক্ষভাবে কাজ করবো।

পরিশেষে 

ড. খলিলুর রহমানের এই গৌরবোজ্জ্বল জয় বাংলাদেশ তথা পুরো জাতির জন্য এক পরম আনন্দের এবং গর্বের মুহূর্ত। তবে এই পদের সাথে জড়িয়ে আছে বিশাল এক বৈশ্বিক দায়বদ্ধতা। বহুপাক্ষিক কূটনীতির এই চরম পরীক্ষার মঞ্চে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞা দিয়ে সফল হবেন এবং বিশ্বশান্তি রক্ষায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন এটাই এখন প্রত্যাশা। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের এই নবজাগরণ খলিলুর রহমান আরো উন্নতর অবস্থানে নিয়ে যাবেন এটাই সকলের প্রত্যাশা।


প্রকাশক: মঞ্জুর হোসেন

সম্পাদক: মিজানুর রহমান

House : 29, Road : 01 Sector : 02, Block :F Aftabnagar, Dhaka:1212 (Opposite China Building) E-mail : deshusdhaka@gmail.com (Advertising & News For Bangladesh)